




জোর বাংলা মন্দির টি ১৬৯৯-১৭০০ খ্রিষ্টাব্দে এটি নির্মিত হয়েছিল। জোর বাংলা মন্দিরের কিছু পূর্বে ছিল শ্রীকৃষ্ণে মন্দির । দুটি দোচালা ঘরের পাকা ছাদের সংযোজনের সৃষ্ট ছিল এ মন্দিরের ছাদ। এ ধরনের জোড়বাংলা মন্দিরের বেশ কয়েকটি দৃষ্টান্ত সপ্তদশ অষ্টাদশ শতাব্দীতে দেখা যায়। এই মন্দির-টির ঠিক সন তারিখ পাওয়া যায়নি। তবে মনে হয় এটি মহম্মদপুরের অন্যান্য মন্দিরের সমসাময়িক ছিল।
মহম্মদপুর দুর্গনগরীর উত্তর-পূর্ব কোণের দিকে এবং দুর্গ তোরণের কাছে পরবর্তীকালে নাটোরের মহারাজা রামচন্দ্র কর্তৃক খনিত পদ্ম দীঘির কিছুটা উত্তরে একটি বিরাট দোলমঞ্জ রাজা সীতারাম কর্তৃক নির্মিত হয়েছিল। বর্গাকারে নির্মিত নীচে প্রকান্ড বেদীর উপরে ছিল অপেক্ষাকৃত ছোট ও সামঞ্জস্যপূর্ণ দ্বিতীয় ও তৃতীয় বেদী। তৃতীয় বেদীর উপরে ছিল দোলমঞ্চের চূড়া। এই দোলমঞ্চের চূড়াটি মুঘল ও হিন্দু স্থাপত্যের সংমিশ্রণে গঠিত হয়েছিল। এখানে হোলি উৎসবে রাধাকৃষ্ণের বিগ্রহ স্থাপন করা হতো। বর্তমানে দোলা মঞ্চটির কিছু ধ্বংসাবশেষ টিকে আছে।